স্টাফ করেসপন্ডেন্ট ।।ব্যাংকবীমা২৪.কম

জুলাই ১৭, ২০১৮

মনোনয়ন বঞ্চিত হচ্ছে ৭০ আ’লীগ নেতা

শরিকদের জন্য ৬৫টির বেশি আসন ছাড়ালে ঐ আসন গুলোর আওয়ামীলীগ নেতাদের মনোনয়নের আর আশা থাকছে না। আওয়ামী লীগের যদি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় তা হলে দলটি যে আসন গুলো ছাড়বে ঐসব আসনের নেতাদের রাজনীতি করার কষ্ট আরও বাড়বে।। এলাকায় বাড়বে দন্ধ।

আগামী ডিসেম্বরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনে জোটবদ্ধভাবেই অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ। বিগত দুটি নির্বাচনের মতই আগামী নির্বাচনেও শরিকদের সঙ্গে আসন সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচনে অংশ নেবে। তবে এই আসন সমঝোতা বা ভাগাভাগিতে কোন দলকে কতটি আসন ছেড়ে দেওয়া হবে সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে শেষ মুহূর্তে।

তবে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে ধারণা করা যায়, শরিকদের আসন ছাড় ৬০ থেকে ৬৫টির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চায় দলটি। এ ক্ষেত্রে মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টিকে ৪০ থেকে ৪৫টি এবং ১৪ দলের শরিকদের ১৫ থেকে ২০টি আসন ছাড় দেওয়া হতে পারে। তবে এ বিষয়ে দলের নীতিনির্ধারকরা এখনই স্পষ্ট কিছু বলতে চাচ্ছেন না।শেরিকদের দাবি অনুযায়ী ৭০ টি আসন ছাড়তে হতে পারে।

এ সব বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং দলের সংসদীয় বোর্ডের সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ বলেন, জাতীয় পার্টি চাচ্ছে ৭০টি আসন, ওয়ার্কার্স পার্টি চায় ১০টি, জাসদ চায় ২০টি। এই তিন দলের যদি ১০০টি দিতে হয় তাহলে জোটের আরও তো দল আছে তাদেরও তো দিতে হবে। আসলে আওয়ামী লীগের অনেক প্রার্থী সেটাও দেখতে হবে। আবার শুধু ছাড় দিলেই হবে না দেখতে হবে সেই প্রার্থী জিতে আসতে পারবে কি না। শরিকদের ৫০ থেকে ৬০টি আসন ছাড়াও আওয়ামী লীগের জন্য কঠিন। তবে কী হবে সেটা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে বলা যাচ্ছে না।